জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিলি টু মাষ্টার্স রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মোট
৮ টি বিষয় থাকে।
সেশন থেকে কার্যকর: 2016-2017
411901 ---পশ্চিমা রাজনৈতিক চিন্তাধারা
411903----গবেষণা পদ্ধতি এবং পরিসংখ্যান
411905---আন্তর্জাতিক রাজনীতির ভূমিকা।
411907-------বাংলাদেশে জনপ্রশাসন
411909----দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনীতি ও সরকার
411911-----বাংলাদেশের সংবিধান ও সরকার
411913-----পরিবেশ: সমস্যা এবং সমস্যা
411915------ পাবলিক পলিসি অ্যানালাইসিস
রাষ্ট্রবিজ্ঞানে (Political Science) পড়াশোনা করে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি চাকুরীতে প্রবেশ করা সম্ভব। এই শাখার শিক্ষার্থীরা সমাজ, সরকার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, নীতি ও প্রশাসন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রের চাকুরিতে কাজে লাগে। কিছু জনপ্রিয় চাকুরীর ক্ষেত্র নিচে উল্লেখ করা হলো:
-
সরকারি চাকরি:
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS): প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পুলিশ, শিক্ষা, সহকারী কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) ইত্যাদি।
- ডিপ্লোম্যাট (Diplomat): পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরি, যেমন – বিদেশে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে কাজ।
- রাজনৈতিক পরামর্শক: রাজনৈতিক দল বা সরকারের জন্য পরামর্শ প্রদান।
- নির্বাচন কমিশন: নির্বাচন পরিচালনার জন্য কর্মী, যেমন - নির্বাচন কর্মকর্তার পদ।
-
আইন ও প্রশাসন:
- আইনজীবী (Lawyer): রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত কিছু আইনি শিক্ষা থাকলে আইনজীবী হিসেবে কাজ করা সম্ভব।
- বিচারক (Judge): সরকারি চাকরির মাধ্যমে বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া যেতে পারে।
-
বেসরকারি চাকরি:
- গবেষক (Researcher): বিভিন্ন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক বা গবেষণা সংস্থায় কাজ করা যায়।
- নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র বিশ্লেষক (Security/Foreign Policy Analyst): বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বা সরকারি সংস্থায় কাজের সুযোগ।
- সাংবাদিকতা (Journalism): রাজনৈতিক বিশ্লেষক বা সংবাদ লেখক হিসেবে কাজ করা যায়।
- অভিযোজন ও জনসংযোগ (PR & Communications): রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা এনজিওতে কাজ।
-
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক:
- সংঘ বা আন্তর্জাতিক সংস্থা: জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক রেডক্রস ইত্যাদি সংস্থায় কাজ করার সুযোগ।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রী (যেমন: মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি) থাকলে আরও উচ্চমানের চাকরি পাওয়া যায়, যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা, গবেষক বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ।

Comments
Post a Comment